ক্যাটাগরিসমূহ
Writer Choice

মেয়েদের বোঝা,নয়তো সোজা


Love@Sajeb

স্কুল লাইফ টা নিরামিষ ভাবে কেটে গেল
শিশিরের ।ইচ্ছা ছিল প্রেম টেম করবে কিন্তু
সেভাবে হয়ে উঠেনি ।হয়ে উঠেনি বলতে মেয়েদের
পিছে কোন সময় নষ্ট করত না ।আপনারা মানবেন
কিনা জানি না ,প্রেম করতে গেলে কিন্তু প্রচুর
সময় নষ্ট করতে হয় আর নিজেকে অনেক র্নিলজ্জ
হতে হয় ।অপনি যে মেয়ের পিছে বেশি সময় দিবেন
সে মেয়ে পটে যাবেই আর যদি সময় না দেন
তাহলে আপনাকে ক্যালা দেখাবে ।
যাই হোক স্কুল লাইফ পার করল শিশির রেজাল্ট ও
ভাল ।ভাল একটা কলেজে ভর্তি হল।কিন্তু কলেজ
লাইফ টা একটু অন্য রকম।স্কুলের
গন্ডি পেরিয়ে যখন অপনি বৃহত্ পরিসর
এবং খোলামেলা জীবন পাবেন তখন নিশ্চয় আপনার
মনে একটু হলেও ভালবাসা দোলা দেবে আর
পারিপার্শিক পরিবেশ তো আছেই।শিশির ও এর
বাইরে যেতে পারেনি ।
কলেজে একটা মেয়ে কে প্রথম দেখাতেই
ভাললেগে যায় শিশিরের ।মনে মনে শুরু ভালবাসার
রেলগাড়ির।প্রতিদ িন দেখে ,মেয়েটির
আশেপাশে ঘোরাঘুরি করে কিন্তু কিছু
বলতে পারে না।একটু লজ্জাটে টাইপের শিশির।
কারন এর আগে কোন মেয়েদের বিষয়ে এমন ফ্লিংস
হয়নি আর তাছাড়া স্কুলের কয়েক জন ক্লোস
বান্ধবি আর মা ছাড়া তার জীবনে অন্য কোন
মেয়ে মানুষ আসেনি কখন ।কি করবে বুঝতে পারছিল
না ।এক বন্ধুকে জানাল বিষয় টা ,এই তো কাজ
সারা ।বন্ধুরা মিলে তিল কে তাল বানাল ।সমস্ত
কলেজে কারো জানতে বাকি থাকল না বিষয় টা ।
রিপা ও জেনে গেল যে শিশির
নামে একটা ছেলে তাকে ভালবাসে ।রিপা একটু
দেমাগি মেয়ে।এমনি সবকিছু ঠিক
আছে তবে যে কোন বিষয়ে দেমাগটা একটু
বেশি দেখায় কোন ছেলেদের পাত্তা দেয় না ।
যায় হোক , বন্ধুদের উত্সাহে রিপাকে প্রপোজ করল
শিশির ।সাথে সাথে রিফিউজ এবং থ্রেট ।
এই ছেলে ,তুমি আমারে চিনো?আমি যদি আমার আব্বু
রে বলি তাহলে তোমাকে কলেজ থেকে বের
করে দিবে ।আর আয়নায় নিজের চেহারা টা দেখছ ?
হনুমান একটা ।আর যদি কোন দিন আমাকে ডিস্টাব
করছ আমি প্রিন্সিপালের কাছে নালিস করব ।
শিশির চুপ কর দাঁড়িয়ে আছে বলার কোন ভাষা নেই।
এত অপমান এর আগে কখন হয় নি শিশির।চোখ
দিয়ে পানি পড়ছে শিশিরের।
এরপর থেকে আর কোন দিন রিপার সামনে যায় নি।
রিপা মাঝে মাজে খোজ করত শিশির কে ।
জানতে চাইত কলেজে আসে কিনা ।তবে কি রিপা ও
শিশির কে অনুভব করত ?
শিশিরের কলেজ পরিবর্তনের ফলে তাদের
দেখা হয় নি।তবে ফেসবুকে হনুমান নামের
একটা আইডি সবসময় রিপার খোজখবর নিত।রিপার
প্রতিদিনের রুটিন বলে দিত তাকে বিভিন্ন
বিষয়ে হেল্প করত ।রিপা অনেক চেষ্টা করেও
জানতে পারেনি আসলে কে হতে পারে এই আইডির
মালিক ।
এভাবে কেটে গেছে ৩ বছর ।একই
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে শিশির আর রিপা ।
ক্যাম্পাসে বসে আছে শিশির হঠাত্ পিছন
থেকে কারো স্পর্শ অনুভব করে পিছনে তাকাল।
দেখে রিপা দাঁড়িয়ে আছে ।
-রিপা তুমি ?
-হ্যাঁ ,কোন সমস্যা ?
-না ।
-বসতে পারি ?
-বস ।
-তুমি কলেজ ছেড়ে চলে আসলে ক্যানো ?
-তো কি করব ,তোমার পিছে পড়ে থাকব ?
আমি তো হনুমান ।
-যাকে ভালবাস তার পিছে পড়ে থাকলে
সমস্যা কি ?
-কোন আসায় থাকব ,তোমার
বাবা তো আমাকে মেরে ফেলত ।
-বাবা…আমার উপর দেখছি অনেক রাগ।
-তোমার উপর কোন রাগ নেই ।তুমি তো সবসময় আমার
সাথে থাক ।
-কিভাবে ?
-আমার মনের মধ্যে যে থাকে তাকে আমি সরাব
কি করে ?
-তো যাকে মনের মধ্যে রেখছ তার খোজ খবর
নেওয়া লাগে না ?
-নেই তো ।
কিভাবে ?
-তুমি কি হনুমান নামের আইডি টা চেনো ?
রিপার বুজতে বাকি নেই ।ফেসবুকে তার এত
টেককেয়ার করার ছেলেটা এই হনুমান ই ।
আমি কি হনুমানের হাতটা ধরতে পারি ?
শিশির তার হাতটা এগিয়ে দিল রিপা শক্ত
করে চেপে ধরে বলল হনুমান যেন এই হাতটা কোন
দিন ও না ছাড়ে ।
মোরালঃমেয়েদের বোঝা বড় দায়

মন্তব্য করুন

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.